alo
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ | ১২ আশ্বিন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

১১ বছর পর এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়

প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ০১:২৫ এএম

১১ বছর পর এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়


অফিস ডেস্ক:

এশিয়া কাপের সুপার ফোরের শেষ ম্যাচে ভারতকে ৬ রানে হারাল বাংলাদেশ। এ জয়ের মাধ্যমে এশিয়া কাপে ১১ বছর পর ভারতের বিপক্ষে জয় পেল টাইগাররা। ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৬৫ রান তুলে বাংলাদেশ। জবাবে ২৫৯ রানে থামে ভারত।
শুক্রবার শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৬৫ রান করে বাংলাদেশ। টার্গেট তাড়ায় ওপেনার শুভমান গিলের সেঞ্চুরির পরও ২৫৯ রানে অলআউট হয় ভারত। ৬ রানে জয় পায় টাইগাররা।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটাই ভালো হয়নি ভারতের। শুরুতেই দুই ভারতীয় ব্যাটারকে সাজঘরে পাঠান অভিষিক্ত টাইগার পেসার তানহিম হাসান সাকিব। শূন্যরানে রোহিত ও ৫ রানে তিলক ভার্মা আউট হন। তৃতীয় উইকেট জুটিতে আসে ৫৫ রান। ১৯ রানে লোকেশ রাহুল ও ৫ রানে ইষাণ কিষাণ আউট হন।
পঞ্চম উইকেট জুটিতে সূর্যকুমার যাদবকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন ওপেনার শুভমান গিল। ৩৪ বলে ২৬ রান করে আউট হন সূর্যকুমার। রবিন্দ্রো জাদেজার ব্যাট থেকে আসে ৭ রান। এদিকে ফিফটির পর ব্যক্তিগত শতক পূরণ করেন গিল। শেখ মাহেদির বলে আউট হওয়ার আগে করেন ১২১ রান।
অষ্টম উইকেট জুটিতে শার্দুল ঠাকুরকে নিয়ে ৪০ রানের জুটি গড়েন অক্ষর প্যাটেল। কিন্তু আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েও দলকে জেতাতে পারেননি তারা। ১১ রানে ফেরেন শার্দুল। আর অক্ষর প্যাটেল আউট হন ৪২ রানে।
জয়ের জন্য শেষ ৮ বলে প্রয়োজন ছিল ১২ রান। ৪৯তম ওভারের শেষ দুই বলে রান নিতে পারেননি প্রসাদ কৃষ্ণা। জয়ের জন্য শেষ ওভারে ভারতের প্রয়োজন ছিল ১২ রান। বাংলাদেশের দরকার ছিল মাত্র ১ উইকেট।
তরুণ পেসার তানজিদ হাসান শেষ ওভারের প্রথম তিন বলে ডট দেন। চতুর্থ বলে বাউন্ডারি হাঁকান মোহাম্মদ শামি। পঞ্চম বলে ডাবল রান নিতে গিয়ে মোহাম্মদ শামি রান আউট হলে জয়ের উল্লাসে মাতে টাইগাররা।
বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন মোস্তাফিজুর রহমান। দুটি উইকেট নেন তানহিম হাসান সাকিব। এর আগে কলম্বোতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে মোহাম্মদ সামির করা ইনিংসের তৃতীয় ওভারে কোনো রান না তুলেই সাজঘরে ফিরলেন টাইগার ওপেনার লিটন কুমার দাস। রানের দেখা পাননি তিনি। পরের ওভারের প্রথম বলেই সাজঘরের পথ ধরেছেন তানজীদ হাসান তামিম। তিনি করেন ১৩ রান।
ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি এনামুল হক বিজয়। একটি চার হাঁকিয়েই সাজঘরের পথ ধরেন তিনি। এদিকে কিছুক্ষণ ক্রিজে সাকিবকে সঙ্গ দেওয়া মেহেদি হাসান মিরাজ আউট হয়েছেন ১৩ রানে। মাত্র ৫৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া দলের হাল ধরেন সাকিব আল হাসান ও তাওহীদ হৃদয়। এ সময় দুজন মিলে গড়েন ১০১ রানের জুটি। ফিফটি পূরণের পর সেঞ্চুরির দিকেই এগোচ্ছিলেন সাকিব। কিন্তু শার্দুল ঠাকুরের বলে আউট হওয়ার আগে ৮০ রান করেন তিনি।
ফিফটির দেখা পেয়েছেন তাওহীদ হৃদয়ও। কিন্তু এরপর আর ইনিংসটি দীর্ঘয়িত করতে পারেননি তিনি। ৮১ বলে ৫৪ রানে থামেন এই ব্যাটার। এছাড়া শামীম পাটোয়ারি আউট হন ১ রানে। হুট করে তিন উইকেট হারিয়ে ফের চাপে পড়ে দল। কিন্তু অষ্টম উইকেট জুটিতে আপনতালে খেলতে থাকেন নাসুম আহমেদ ও শেখ মাহেদি হাসান। এ সময় দুজন মিলে গড়েন ৪৫ রানের জুটি। তাতেই আড়াইশর ছোঁয়া পায় দল। ছয়টি চার ও একটি চারে ৪৫ বলে ৪৪ রান করেন নাসুম। ২৩ বলে ২৯ রানে মাহেদি ও ৮ বলে ১৪ রানে তানজিম সাকিব অপরাজিত থাকেন।
 

X